দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে পরিকল্পিতভাবে এক কিশোর কে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে জখমকৃত কিশোর উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের নাছিমপুর গ্রামের সামছুল হক”র ছেলে সানোয়ার আহমেদ(১৭)।
৩ জনের নাম উল্লেখ করে দোয়ারাবাজার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোক্তরা হলেন দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের মোঃ রোয়াব আলীর ছেলে মোঃ ইমন মিয়া(২৬) মোঃ জুমন মিয়া (২১) একই গ্রামের মোঃ আউয়াল মিয়া(৬০)
অভিযোগসূত্রে জানাযায় গত ৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পাশের গ্রাম সোনাপুরে ওয়াজ শুনতে মাহফিলে যায় সানোয়ার আহমেদ পরে অভিযোক্ত মোঃ আউয়াল মিয়া তার বাড়িতে দাওয়াত খেতে জোরজবরদস্তি করেন আহত সানোয়ার আহমেদ কে, পরিচিত হওয়ার কারনে সেই সুবাধে দাওয়াত খেতে যায়।বাড়িতে পৌঁছানোর পর মোঃ ইমন মিয়া ও মোঃ জুমন মিয়া ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হাত বেঁধে অর্তকিতভাবে লাঠিসোটা দিয়ে আঘাত করতে থাকে এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে জমিতে নিয়ে প্রানে মেরে ফেলার চেষ্টা করে তখন তার সাথে থাকা লুকমান দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে মানুষ এসে উদ্ধার করে। মোবাইল ফোনে তার বাড়িতে খবর দেওয়ার পর তার মা এসে আহত সানোয়ার আহমেদ কে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
তিনি আরো বলেন কি কারনে আমাকে প্রানে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে সেটা জানিনা, তাদের উদ্যেশ্য ছিল আমাকে প্রানে মারার যার কারনে তাদের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হাত বেঁধে জমিতে নিয়ে আমার মাথায় ও পুরো শরিলে দেশিও লাঠিসোটা দিয়ে আঘাত করতে থাকে।
সানোয়ার আহমদ”র মা রাহিমা বেগম প্রশাসনের কাছে বিচারদাবি করে বলেন আমরা খুবি শান্ত ও নিরীহ মানুষ, কি কারনে আমার ছেলের উপর এমন অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে আমরা বোধগম্য নয় দ্রুত তাদের শাস্তি দাবি করছি।
জানতে চাইলে মোঃ রোয়াব আলী বলেন এসব বানোয়াট ও মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আমার ছেলে কে ফাঁসানো হচ্ছে।
দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল হক জানান একটি অভিযোগ পেয়েছি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Leave a Reply